Header Ads

চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার


নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি আবুল খায়ের (৩৫)–কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে জেলা শহর মাইজদী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আবুল খায়ের সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবাগ্যা গ্রামের আবুল বারেকের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিল ওই ছাত্রী। চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তার দাদি তাকে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আবুল খায়েরের কাছে নিয়ে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে “কবিরাজি চিকিৎসা” দেওয়ার কথা বলে কৌশলে ভিকটিমের দাদিকে বাইরে পাঠানো হয়। এরপর সুযোগ নিয়ে ওই শিক্ষক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করেন।

ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে শুরুতে মামলা করা হয়নি। পরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল ভিকটিমের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করে। পরবর্তীতে সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।

এ ঘটনার পর ভিকটিমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ ঘটনায় একজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, ভিকটিমের বাবা শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা করেছেন এবং পরবর্তীতে ভিকটিমের বাড়িতে হামলার ঘটনায় তার মা আরেকটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার আবুল খায়েরকে উভয় মামলায় দেখিয়ে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।

No comments

Powered by Blogger.