শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকার দারুল উলুম একাডেমি মাদরাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাহসিন পশ্চিম করালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নুর টিপুর ছেলে এবং তিনি মাদরাসাটির আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদের ছুটি শেষে প্রায় আট দিন আগে মাদরাসায় ফেরে তাহসিন। বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো হিফজ পড়া শেষ করে সে ঘুমিয়ে পড়ে। শুক্রবার ভোরে সহপাঠী ও শিক্ষকরা তাকে পড়ার জন্য ডাকলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে তার মুখে পানি ছিটিয়েও কোনো প্রতিক্রিয়া না পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মাদরাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ইমরান হোসাইন জানান, ঘটনার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে, এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
No comments